ক্যানসার কি এবার পুরোপুরি সেরে যাবে? আশার আলো দেখাচ্ছে নতুন ওষুধ

 


দীর্ঘদিন ক্যানসারের কারণে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ছিল। শরীরে একবার এই রোগ বাসা বাঁধা মানেই মৃত্যুর ঘণ্টা বেজে যাওয়া। ধীর অথবা দ্রুত গতিতে শেষের দিকে এগিয়ে চলা। কাউকেই রেয়াত করেনি এই মারণরোগ। কোনও ভাবেই তাকে বাগে আনা যায়নি। কিন্তু তাই বলে হাল ছাড়েনি মানুষ। অসম লড়াই চালিয়ে গেছে, কেবল জিতবে বলে। আর সেই অদম্য ইচ্ছাশক্তির জেরেই এল জয়। এই যুগান্তকারী আবিষ্কার ঘটল ব্রিটেনে।

সেদেশের ক্যানসারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন গুয়াডেসাইটাবিন, একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ এবং ইমিউনথেরাপি মিলিয়ে একটা নতুন ধরনের চিকিৎসার পদ্ধতি তাঁরা আবিষ্কার করেছেন। ইমিউনথেরাপিতে ব্যবহৃত হচ্ছে পেন্ত্রোলিজুমাব এবং ডিএনএ হাইমিথাইলেটিং এজেন্ট গুয়াডেসাইটাবিন মিশিয়ে কয়েকজন রোগীকে দেওয়া হয়েছিল পরীক্ষামূলক ভাবে। আর এতেই দেখা গিয়েছে যে এক তৃতীয়াংশ রোগীর দেহে মারণরোগকে আটকে দেওয়া গেছে।

এই গবেষণার কথা ইমিউনথেরাপি অব ক্যানসার নামক একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এই মারণরোগের চিকিৎসা হচ্ছে মূলত প্রতিরোধশক্তি বেসড একটি চিকিৎসা। যাঁদের দেহে এই পদ্ধতি কাজ করে তাঁরা ভালো

ডক্টর আনা মিনচম, এই গবেষণার প্রধান গবেষক জানান, বিগত এক দশক ধরে ক্যানসার চিকিৎসায় ইমিউনথেরাপি ভালো ফল দিলেও সব ধরনের ক্যানসারের উপর এর সুফল দেখা যায় না। কিন্তু এই নতুন আবিষ্কার এসব ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।




 থাকেন, আর যাঁদের দেহে কাজ করে না তাঁদের দেহে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই

 রোগ। কিন্তু এবার এই আবিষ্কারের হাত ধরেই মনে করা হচ্ছে সমস্ত রোগীর

 দেহেই ক্যানসার ছথাকেন, আর যাঁদের দেহে কাজ করে না তাঁদের দেহে দ্রুত

 ছড়িয়ে পড়ে এই রোগ। কিন্তু এবার এই আবিষ্কাড়িয়ে পড়াকে আটকানো

যখন কোনও ক্যানসার রোগীর উপর সার্জারি, রেডিও এবং কেমোথেরাপি ব্যবহার করেও সুফল পাওয়া যায় না তখন ইমিউনথেরাপিকে কাকে লাগিয়ে রোগীর প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কী করা হয়? এখানে মূলত ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় রোগীর দেহে এই পদ্ধতিও কাজ করে না। টিউমার বড় হয়ে যায়। কিন্তু নতুন যে চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করা হয়েছে তাতে যাঁদের কোনও পদ্ধতি কাজ করে না, মৃত্যুর দিন গোনা ছাড়া যাঁদের আর কোনও উপায় থাকে না, তাঁদের জন্য এই চিকিৎসা পদ্ধতি সুফল দেবে, বেশি দিন বাঁচার সুযোগ করে দেবে।

 যাবে। ব্রিটেনের চিকিৎসকরা তাই দাবি করছেন। রের হাত ধরেই মনে করা

 হচ্ছে সমস্ত রোগীর দেহেই ক্যানসার ছড়িয়ে পড়াকে আটকানো যাবে।

 ব্রিটেনের চিকিৎসকরা তাই দাবি করছেন।

যখন কোনও ক্যানসার রোগীর উপর সার্জারি, রেডিও এবং কেমোথেরাপি ব্যবহার করেও সুফল পাওয়া যায় না তখন ইমিউনথেরাপিকে কাকে লাগিয়ে রোগীর প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কী করা হয়? এখানে মূলত ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় রোগীর দেহে এই পদ্ধতিও কাজ করে না। টিউমার বড় হয়ে যায়। কিন্তু নতুন যে চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করা হয়েছে তাতে যাঁদের কোনও পদ্ধতি কাজ করে না, মৃত্যুর দিন গোনা ছাড়া যাঁদের আর কোনও উপায় থাকে না, তাঁদের জন্য এই চিকিৎসা পদ্ধতি সুফল দেবে, বেশি দিন বাঁচার সুযোগ করে দেবে।

যখন কোনও ক্যানসার রোগীর উপর সার্জারি, রেডিও এবং কেমোথেরাপি ব্যবহার করেও সুফল পাওয়া যায় না তখন ইমিউনথেরাপিকে কাকে লাগিয়ে রোগীর প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কী করা হয়? এখানে মূলত ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় রোগীর দেহে এই পদ্ধতিও কাজ করে না। টিউমার বড় হয়ে যায়। কিন্তু নতুন যে চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করা হয়েছে তাতে যাঁদের কোনও পদ্ধতি কাজ করে না, মৃত্যুর দিন গোনা ছাড়া যাঁদের আর কোনও উপায় থাকে না, তাঁদের জন্য এই চিকিৎসা পদ্ধতি সুফল দেবে, বেশি দিন বাঁচার সুযোগ করে দেবে।

ডক্টর আনা মিনচম, এই গবেষণার প্রধান গবেষক জানান, বিগত এক দশক ধরে ক্যানসার চিকিৎসায় ইমিউনথেরাপি ভালো ফল দিলেও সব ধরনের ক্যানসারের উপর এর সুফল দেখা যায় না। কিন্তু এই নতুন আবিষ্কার এসব ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।


পেন্ত্রোলিজুমাব এবং গুয়াডেসাইটাবিন মিশিয়ে মোট ৩৪ জন রোগীকে দেওয়া হয়েছিল, তিন সপ্তাহ অন্তর টানা চারদিন ধরে রোগীদের গুয়াডেসাইটাবিন ইনজেকশন দেওয়া হতো তিন বছর ধরে। আর এই প্রক্রিয়ার প্রথম দিনে দেওয়া হতো পেন্ত্রোলিজুমাব, যা ইতিমধ্যেই দুই ধরনের ক্যানসার, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যানসারের চিকিৎসায় সফল হয়েছে।